জননিরাপত্তা ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার লক্ষ্যে বিশেষ অভিযানে ৩১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে Ministry of Interior Qatar। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিভ্রান্তিকর তথ্য ধারণ, প্রচার এবং বিভিন্ন মাধ্যমে তা ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। তাই ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার।
কর্তৃপক্ষ জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা বিভিন্ন দেশের নাগরিক। তবে তাদের পরিচয় বা তারা কী ধরনের তথ্য প্রচার করেছিলেন—সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
কাতারের আইন অনুযায়ী, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম বা গণমাধ্যমে কোনো অপ্রমাণিত বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এই অভিযানের মাধ্যমে সরকার অনলাইনে ভুয়া তথ্য ছড়ানোর বিরুদ্ধে সতর্ক বার্তা দিতে চায় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আরও তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশই সাম্প্রতিক সময়ে কঠোর আইন ও নজরদারি বাড়িয়েছে।
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লেও তা সাময়িক বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump। তিনি বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক হুমকি শেষ হলে তেলের দাম দ্রুত কমে আসবে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম The Hill–এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
খবরে বলা হয়, রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম Truth Social–এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের নিরাপত্তা এবং শান্তির জন্য তেলের দাম কিছুটা বাড়া বড় কোনো বিষয় নয়। তিনি এটিকে নিরাপত্তার জন্য ‘ছোট একটি মূল্য’ হিসেবে উল্লেখ করেন।
ট্রাম্প আরও বলেন, ইরানের পারমাণবিক হুমকি ধ্বংস হয়ে গেলে স্বল্পমেয়াদে তেলের দাম দ্রুত কমে যাবে। যারা এ বিষয়ে ভিন্নভাবে ভাবছেন, তারা বাস্তবতা বুঝতে পারছেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে তেল ও গ্যাসের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera এবং আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা Reuters জানায়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে, যা ২০২২ সালের জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ পর্যায়।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সংঘাতের প্রভাবেই তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা আরও চাপের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ Strait of Hormuz দিয়ে জাহাজ চলাচলে দীর্ঘস্থায়ী ব্যাঘাতের আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় বাজারে অনিশ্চয়তা বেড়েছে।
সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারের দাম ১৮.৩৫ ডলার বা প্রায় ১৯.৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১১১.০৪ ডলারে পৌঁছেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ১৫.২৭ ডলার বা ১৬.৮ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৬.১৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান যুদ্ধের প্রভাবের কারণে বিশ্বব্যাপী ভোক্তা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে কয়েক সপ্তাহ বা মাস ধরে জ্বালানির উচ্চমূল্যের মুখোমুখি হতে হতে পারে। সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন, জাহাজ চলাচলের ঝুঁকি এবং উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা বাজারে অস্থিরতা বাড়াচ্ছে।
এদিকে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল রফতানিকারক দেশ Saudi Arabia লোহিত সাগর অঞ্চল থেকে তেলের চালান বাড়ানোর চেষ্টা করছে। তবে শিপিং তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালী দিয়ে সরবরাহ ঘাটতি পূরণ করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়।
অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড ব্যাংকিং গ্রুপের (এএনজেড) সিনিয়র পণ্য কৌশলবিদ Daniel Hynes বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের উৎপাদকরা গুদামে তেল জমে যাওয়ার কারণে উৎপাদন কমাচ্ছেন। যদি পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে যে তেলের কূপ বন্ধ করতে হয়, তাহলে শুধু উৎপাদন কমবে না—সংঘাত শেষ হলেও সরবরাহ স্বাভাবিক হতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে দেশের সব পাবলিক ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেছে Ministry of Education Bangladesh। রোববার (৮ মার্চ) এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, সোমবার (৯ মার্চ) থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর একাডেমিক ক্যালেন্ডারে নির্ধারিত Eid al-Fitr ছুটি শুরু হওয়া পর্যন্ত দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় জাতীয় পর্যায়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ কারণে Cabinet Division Bangladesh–এর নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে। দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জানালা ও দরজা খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার এবং বিদ্যমান আলোর অর্ধেক ব্যবহার করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া অফিস চলাকালীন প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট, ফ্যান, এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, অফিস সময় শেষ হওয়ার পর লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার ও এয়ার কন্ডিশনারসহ সব বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে হবে। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহার এবং গাড়ির ব্যবহার সীমিত রাখার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
সরকারের এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্য রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
বিশ্বের অন্যান্য বড় শহরের মতোই দীর্ঘদিন ধরে বায়ুদূষণের সমস্যায় ভুগছে রাজধানী Dhaka। কিছুদিন আগে শহরটির বায়ুমানে সামান্য উন্নতির লক্ষণ দেখা গেলেও সাম্প্রতিক সময়ে আবারও দূষণের মাত্রা বাড়তে শুরু করেছে।
সোমবার (৯ মার্চ) সকাল পৌনে ১১টার দিকে আন্তর্জাতিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান IQAir–এর তথ্যে দেখা যায়, ১৯৯ একিউআই স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে ঢাকা। বায়ুমানের এই স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়।
একই সময়ে ৩৫৯ একিউআই স্কোর নিয়ে তালিকার শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের Lahore শহর। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের Delhi শহর, যার স্কোর ২১৬। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে নেপালের রাজধানী Kathmandu, যেখানে একিউআই স্কোর ২০৩। আর পঞ্চম অবস্থানে থাকা পাকিস্তানের Karachi শহরের স্কোর ১৬৫।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বায়ুদূষণের প্রধান কারণ হিসেবে যানবাহনের ধোঁয়া, ইটভাটার নির্গমন, নির্মাণকাজের ধুলাবালি এবং শিল্পকারখানার বর্জ্য দায়ী। শীত ও শুষ্ক মৌসুমে বাতাসের গতি কম থাকায় দূষিত কণাগুলো দীর্ঘ সময় বাতাসে ভেসে থাকে, ফলে দূষণের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।
বায়ুমান সূচক বা একিউআই অনুযায়ী, শূন্য থেকে ৫০ পর্যন্ত স্কোর ভালো হিসেবে ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি এবং ১০১ থেকে ১৫০ সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১ থেকে ২০০ হলে তা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। আর ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়।
এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের বাইরে কম বের হওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। প্রয়োজনে মাস্ক ব্যবহার এবং দীর্ঘ সময় বাইরে অবস্থান এড়িয়ে চলার পরামর্শও দেওয়া হয়।
পরিবেশবিদরা বলছেন, দূষণ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে ঢাকার বায়ুমান আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
আলোচিত বলিউড অভিনেত্রী নীনা গুপ্তা। অভিনয়ের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও বহুবার আলোচনায় এসেছেন তিনি। সম্প্রতি ৬৬ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীকে ঘিরে নতুন করে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে—তিনি নাকি আবারও মা হতে চলেছেন।
এই খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা। উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই তার মেয়ে মাসাবা গুপ্তা কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। এমন সময়েই নীনা গুপ্তাকে নিয়ে এই গুজব ছড়িয়ে পড়ায় নেটিজেনদের মধ্যে তুমুল জল্পনা তৈরি হয়।
তবে বিষয়টি নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী নিজেই। গুঞ্জনের প্রসঙ্গ উঠতেই হাসতে হাসতে তিনি বলেন, “ব্যস, এটাই বাকি ছিল—বাস্তব জীবনে ‘বাধাই হো’!”
প্রসঙ্গত, ‘বাধাই হো’ সিনেমায় নীনা গুপ্তা ৬০ বছর বয়সী এক নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, যিনি হঠাৎ গর্ভবতী হয়ে পড়েন। সেই জনপ্রিয় সিনেমার প্রসঙ্গ টেনেই তিনি গুজবটিকে রসিকতার ছলে উড়িয়ে দেন।
মূলত অভিনেত্রী রাশমিকা মান্দান্না ও বিজয় দেবরকোণ্ডার রিসেপশন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার পর থেকেই এই গুঞ্জনের সূত্রপাত হয়। সেদিন শাড়ি পরা অবস্থায় নীনা গুপ্তার পেট কিছুটা উঁচু দেখাচ্ছিল। অনেকেই সেটিকে ‘বেবি বাম্প’ বলে ধরে নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা মন্তব্য করতে শুরু করেন।
এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে নীনা গুপ্তা বলেন, “এটা কোনো ‘বাধাই হো’-এর ঘটনা নয়, আমি গর্ভবতীও নই। আসলে শাড়ির কাপড়টা একটু মোটা ছিল, তাই আমাকে ও রকম দেখাচ্ছিল।”
পরে রসিকতার সুরে তিনি আরও বলেন, “এই বয়সেও আমার গর্ভাবস্থা নিয়ে এমন জল্পনা হওয়াটা আমার ভালোই লেগেছে। এতে বোঝা যায়, আমরা একটি জাতি হিসেবে বদলাচ্ছি।”
উল্লেখ্য, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে একসময় বেশ আলোচনায় ছিলেন নীনা গুপ্তা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের কিংবদন্তি ক্রিকেটার ভিভিয়ান রিচার্ডসের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। সেই সম্পর্ক থেকেই জন্ম নেন তাদের মেয়ে মাসাবা গুপ্তা। যদিও পরবর্তীতে রিচার্ডস নিজের পরিবারে ফিরে যান। এরপরও গর্ভপাতের সিদ্ধান্ত না নিয়ে একাই মেয়েকে বড় করে তোলেন নীনা গুপ্তা।
২০২৩ সালে নীনা গুপ্তা ও ভিভিয়ান রিচার্ডসের মেয়ে মাসাবা গুপ্তার বিয়ে সম্পন্ন হয়।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ খেলতে নেমেই নতুন রেকর্ড গড়েছেন নিউজিল্যান্ডের অলরাউন্ডার মিচেল স্যান্টনার।
নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়েছেন তিনি। বিশ্বকাপের ফাইনালে মাঠে নামার মধ্য দিয়ে তার ম্যাচ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯টিতে।
এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনের দখলে। তিনি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ২৯টি ম্যাচ খেলেছিলেন। ফাইনালে মাঠে নামার মাধ্যমে সেই সংখ্যাকে স্পর্শ করে নতুন করে আলোচনায় আসেন স্যান্টনার।
এছাড়া নিউজিল্যান্ডের হয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ২৮টি করে ম্যাচ খেলেছেন সাবেক দুই অধিনায়ক মার্টিন গাপটিল ও রস টেইলর। অন্যদিকে সাবেক অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালাম এবং গ্লেন ফিলিপস খেলেছেন ২৫টি করে ম্যাচ।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ১০ম আসরের ফাইনালে ভারতের মুখোমুখি হয়েছে নিউজিল্যান্ড। ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শিরোপা নির্ধারণী এই ম্যাচ।
ক্রিকেট বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচের পাশাপাশি ব্যক্তিগত অর্জন হিসেবেও স্যান্টনারের রেকর্ডটি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটে নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
দলের প্রতি দীর্ঘদিনের আনুগত্যের পর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক অসুবিধার কথা উল্লেখ করে সিলেটের জামায়াত নেতা সালাহ উদ্দিন মিরাজ সব ধরনের সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
তিনি ইতোমধ্যে সিলেট মহানগর জামায়াতের আমির ফখরুল ইসলামের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়ে তার ওপর অর্পিত সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়েছেন।
এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে সালাহ উদ্দিন মিরাজ তার রাজনৈতিক পথচলার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। সেখানে তিনি জানান, ২০০৫ সালে সংগঠনের শপথ গ্রহণের মাধ্যমে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে যুক্ত হন।
পরবর্তীতে ২০১৩ সালে রুকন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের সেক্রেটারি এবং ২০২৩ সালে ২৫ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়া ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি দক্ষিণ সুরমা থানা জামায়াতের নির্বাচিত শুরা সদস্য এবং থানা যুব বিভাগের সেক্রেটারি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
নিজের পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে দায়িত্ব পালনকালে কিছু অযাচিত সিদ্ধান্ত তার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করেছে। এ কারণে তিনি এই প্ল্যাটফর্ম থেকে সরে গিয়ে ভবিষ্যতে দ্বীনের সেবায় আরও ভালোভাবে কাজ করার চেষ্টা করতে চান।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনের সময় তিনি কোনো ধরনের খেয়ানত করেননি। পাশাপাশি আল্লাহর কাছে দোয়া করেন, যেন এই সময় ও শ্রমকে নাজাতের উসিলা হিসেবে কবুল করা হয়।
সবশেষে নিজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার কাছে দোয়া কামনা করে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
সূত্র: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পোস্ট ও সংশ্লিষ্ট সূত্র।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘জাতীয় নারীশক্তি’। রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ ঘোষণা করা হয়।
নতুন এই সংগঠনের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মনিরা শারমিন এবং সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ডা. মাহমুদা মিতু। এছাড়া সংগঠনটির মুখ্য সংগঠকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নুসরাত তাবাসসুমকে।
আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ এবং এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে জুলাইয়ের আন্দোলনে যেসব নারী কণ্ঠস্বর হারিয়ে গেছে, তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করা হবে। ‘জাতীয় নারীশক্তি’ সেই নারীদের আবারও সামনে নিয়ে আসবে।
নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে অনেক নারী রাজনীতির সম্মুখভাগ থেকে সরে গেছেন। এ বিষয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে এবং এর দায় রাজনীতিবিদদেরও রয়েছে। তার মতে, যারা এখনো রাজনীতিতে সক্রিয় আছেন তাদের অনেকেই সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়েছেন, যার কারণে অনেক নারী রাজনীতি থেকে পিছিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, যদিও ‘জাতীয় নারীশক্তি’ এনসিপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে কাজ করবে, তবে এটি স্বাধীনভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। সংগঠনটির মূল লক্ষ্য হবে বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তোলা এবং নারীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় কাজ করা।
এ সময় চলমান রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধে সরকারের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বানও জানান তিনি।
সূত্র: অনুষ্ঠান সংশ্লিষ্ট সূত্র ও গণমাধ্যম প্রতিবেদন।
জুলাই আন্দোলনের মুখ এবং ‘ইনকিলাব মঞ্চের’ মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত প্রধান দুই আসামিকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স এসটিএফ। আজ (রোববার, ৮ মার্চ) ভোরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— পটুয়াখালীর বাসিন্দা রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ (৩৭) এবং ঢাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেন (৩৪)।
ভারতী সংবাদ সংস্থা এএনআই’র দেয়া তথ্য |ছবি: এএনআই’র এক্স থেকে নেয়া
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফ সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বনগাঁর একটি গোপন আস্তানায় অভিযান চালিয়ে এই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
জ্বালানি সংকটের সম্ভাবনা মাথায় রেখে কৃচ্ছ্রসাধনের অংশ হিসেবে এবার ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে দেশব্যাপী কোনো আলোকসজ্জা করা হবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
রোববার (৮ মার্চ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় সরকার এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে কৃচ্ছ্রসাধন করতেই এবারের স্বাধীনতা দিবসে সরকারি বা বেসরকারিভাবে বড় ধরনের আলোকসজ্জা না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, স্বাধীনতা দিবসের অন্যান্য কর্মসূচি যথাযথভাবে পালিত হবে। তবে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার এড়িয়ে চলতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সরকারের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি জনগণকে সচেতন করার লক্ষ্য রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সূত্র: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও গণমাধ্যম প্রতিবেদন।