Home Blog Page 8

নেতানিয়াহু নিহত? ইরানি দাবিতে নতুন বিতর্ক

0
নেতানিয়াহু নিহত? ইরানি দাবিতে নতুন বিতর্ক
ছবি সংগৃহীত।

ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে নিহত হয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu—এমন দাবি করেছে ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা Tasnim News Agency। মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা Scott Ritter–এর একটি এক্স পোস্টের বরাতে এই দাবি প্রকাশ করা হয়।

সোমবার (৯ মার্চ) এক্সে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র নেতানিয়াহুর সরকারি বাসভবনে আঘাত হানার পর ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হয়েছেন। একই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন ইসরাইলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী Itamar Ben-Gvir, যিনি হামলায় আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।

তবে যে এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে এই পোস্টটি করা হয়েছে, সেটি আদৌ স্কট রিটার ব্যবহার করেন কি না—তা এখনো নিশ্চিত নয়।

তাসনিম নিউজের প্রতিবেদনে নেতানিয়াহুর ওপর হামলার কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ বা ক্ষয়ক্ষতির নির্ভরযোগ্য তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি। বরং কয়েকটি পরিস্থিতিগত বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক ভিডিও ক্লিপের অনুপস্থিতি, ইসরাইলি গণমাধ্যমে তার বাড়ির আশপাশে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের খবর এবং কিছু আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সফর স্থগিত হওয়ার বিষয়।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, মার্কিন ব্যবসায়ী Jared Kushner এবং মার্কিন বিশেষ দূত Steve Witkoff–এর একটি সম্ভাব্য সফর স্থগিত করা হয়েছে। এছাড়া ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট Emmanuel Macron এবং নেতানিয়াহুর মধ্যে একটি ফোনালাপের ফরাসি রেকর্ডের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও সেই কথোপকথনের নির্দিষ্ট তারিখ প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেওয়া হয়নি। দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর নামে সর্বশেষ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছিল গত ৭ মার্চ। সেদিন তিনি ইসরাইলের বিরশেবা এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত কয়েকজনকে দেখতে গিয়েছিলেন।

তবে নেতানিয়াহুর মৃত্যু নিয়ে ইরানি সংবাদমাধ্যমে এ ধরনের দাবি এই প্রথম নয়। চলমান যুদ্ধের মধ্যেই গত ২ মার্চ কয়েকটি ইরানি সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নেতানিয়াহুর দপ্তর ধ্বংস হয়ে গেছে এবং তিনি নিহত হয়েছেন।

পরে চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম **Xinhua News Agency**সহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এসব তথ্যকে ভিত্তিহীন গুজব বলে উল্লেখ করা হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের সময় তথ্যযুদ্ধ ও গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এ ধরনের দাবির সত্যতা যাচাই না হওয়া পর্যন্ত সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট।

যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমল

যুদ্ধ শেষের ইঙ্গিতে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমল
ছবি সংগৃহীত।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরাইলের যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হতে পারে—এমন ইঙ্গিত দেওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমে গেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump এ বিষয়ে মন্তব্য করার পর বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের ওঠানামা দেখা গেছে।

গত সোমবার (৯ মার্চ) চার বছরের সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছানোর পর দ্রুত নেমে আসে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম। গত ২৪ ঘণ্টায় বৈশ্বিক বাজারে তেলের দামে অস্থিরতা লক্ষ্য করা যায়।

এর আগের দিন আন্তর্জাতিক মানদণ্ড Brent Crude তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়। ২০২২ সালে Russian invasion of Ukraine শুরু হওয়ার পর এই প্রথম তেলের দাম এতটা বেড়েছিল।

তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়ে বিশ্ব শেয়ারবাজারেও। এশিয়া ও ইউরোপের প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতে বড় ধরনের বিক্রি শুরু হয়। একই সঙ্গে নিউইয়র্কের Wall Street–এর বাজারও দিনের শুরুতে চাপের মুখে পড়ে।

পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গণমাধ্যমে বক্তব্য দেন। যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম CBS News–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ প্রায় শেষের পথে।

তার এই মন্তব্যের পরই তেলের বাজারে দ্রুত পরিবর্তন দেখা যায়। সোমবার একসময় ব্যারেলপ্রতি ১১৯.৫০ ডলার পর্যন্ত ওঠা ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম দ্রুত কমে দিনের শেষে ৯৮.৯৬ ডলারে নেমে আসে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং যুদ্ধের সম্ভাবনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। তাই যুদ্ধ পরিস্থিতি কমার সম্ভাবনার খবর প্রকাশ পাওয়ার পর বিনিয়োগকারীরা দ্রুত বাজারে অবস্থান পরিবর্তন করেন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান।

নারীপ্রধান পরিবারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু

নারীপ্রধান পরিবারে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু
ছবি সংগৃহীত।

দেশের নারীপ্রধান পরিবারগুলোর জন্য বিশেষ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীর বনানীর কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কর্মসূচিটির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman

সরকারি এই কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত নারীপ্রধান পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে। উপকারভোগীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে এই অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন, ফলে ঘরে বসেই সহজে ভাতা পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

সরকার জানিয়েছে, পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন ও ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

পরীক্ষামূলক পর্যায়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বাস্তবায়নের জন্য আগামী জুন পর্যন্ত চার মাসে ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে ৬৭ হাজার ৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

পরবর্তীতে সফটওয়্যারভিত্তিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিম্নমধ্যবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত শ্রেণিতে ভাগ করা হয়। যাচাই-বাছাই শেষে হতদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নমধ্যবিত্ত হিসেবে চিহ্নিত ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য যাচাই করে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি সঠিক পাওয়া যায়

এরপর একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা নিচ্ছেন কি না, সরকারি চাকরি করছেন কি না বা পেনশনভোগী কি না—এসব বিষয় বিবেচনায় চূড়ান্তভাবে ৩৭ হাজার ৫৬৭টি নারীপ্রধান পরিবারকে এই ভাতা কর্মসূচির জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

সরকার আরও জানিয়েছে, ফ্যামিলি কার্ডের জন্য নির্বাচিত নারী গৃহপ্রধান অন্য কোনো সরকারি ভাতা পেলে তা বাতিল হিসেবে গণ্য হবে। তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা তাদের চলমান ভাতা পেতে পারবেন।

এছাড়া কোনো পরিবারের সদস্য যদি সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন কিংবা পেনশন পান, তাহলে সেই পরিবার এই ভাতা পাওয়ার যোগ্য হবে না। একইভাবে বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক লাইসেন্স, বিলাসবহুল সম্পদ যেমন গাড়ি, এসি বা ৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র থাকলেও সেই পরিবার ভাতা কর্মসূচির আওতায় আসবে না।

সরকার বলছে, ভাতাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক দল বা মতাদর্শ বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে না। পরীক্ষামূলক প্রকল্প সফল হলে ভবিষ্যতে হতদরিদ্র পুরুষপ্রধান পরিবারকেও এই ভাতার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

সূত্র: বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যম।

ইফতার পার্টিতে বিশৃঙ্খলা, ক্ষুব্ধ হিনা খান

ইফতার পার্টিতে বিশৃঙ্খলা, ক্ষুব্ধ হিনা খান
ছবি সংগৃহীত।

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী Hina Khan সম্প্রতি একটি ইফতার পার্টিতে গিয়ে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন। ভক্ত ও আলোকচিত্রীদের অতিরিক্ত ভিড় এবং হুড়োহুড়ির কারণে সেখানে এক সময় বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

প্রিয় তারকাদের সামনে পেলে ভক্তরা সাধারণত ছবি তুলতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। কিন্তু কখনও কখনও সেই উচ্ছ্বাস নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এমনই একটি ঘটনার সম্মুখীন হন হিনা খান।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত পেশাদার আলোকচিত্রীদের মধ্যে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে হুড়োহুড়ি ও চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয়। এতে পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে নিরাপত্তারক্ষীরা হিমশিম খেতে থাকেন।

এ সময় অভিনেত্রী নিজেই এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। উত্তেজিত হয়ে তিনি উপস্থিত সবাইকে শান্ত থাকতে অনুরোধ জানান এবং চিৎকার করে বিশৃঙ্খলা বন্ধ করতে বলেন। তার কঠোর অবস্থানের পর পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘদিন ধরে মরণব্যাধি ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করেছেন হিনা খান। বর্তমানে তিনি সুস্থতার পথে রয়েছেন এবং ধীরে ধীরে নিয়মিত কাজেও ফিরছেন। তবে জনসমাগমে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা তাকে বেশ বিব্রত করেছে বলে মনে করছেন অনেকে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই ঘটনার একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনদের অনেকেই অভিনেত্রীর পক্ষ নিয়ে আলোকচিত্রীদের অপেশাদার আচরণের সমালোচনা করেছেন।


Alt Text: ইফতার পার্টিতে ভিড়ের মধ্যে আলোকচিত্রীদের বিশৃঙ্খলায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন অভিনেত্রী হিনা খান।

Caption: ইফতার পার্টিতে আলোকচিত্রীদের হুড়োহুড়িতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলিউড অভিনেত্রী হিনা খান। ছবি সংগৃহীত।

সূত্র: বিভিন্ন ভারতীয় গণমাধ্যম।

জগন্নাথপুরে অল টাইম ক্লিন-শাপলা টিমের ইফতার ও দোয়া

জগন্নাথপুরে অল টাইম ক্লিন-শাপলা টিমের ইফতার ও দোয়া
ছবি: নিজস্ব

রিপোর্ট: মুবিন উদ্দিন
সুনামগঞ্জের Jagannathpur এলাকায় সামাজিক সংগঠন অল টাইম ক্লিনশাপলা টিমের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ রমাদান) জগন্নাথপুর বাজারের মাহিমা পার্টি সেন্টারে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার তরুণরা উপস্থিত ছিলেন।

উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের তিন উপদেষ্টা মোঃ মকবুল হোসেন ভূঁইয়া, জামাল উদ্দিন বেলাল এবং জালাল উদ্দিন। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথপুর রক্তদান সংস্থার সভাপতি জহিরুল ইসলাম জহির, সহ-সভাপতি শাহ জাহান সিদ্দিকী, সমাজসেবক শামিম আহমদ, স্টুডেন্টস কেয়ার জগন্নাথপুরের সভাপতি হুমায়ুন কবির, হিলফুল ফুজুল সমাজ কল্যাণ যুব সংঘ শেরপুরের সভাপতি সাকের আহমদ লাবলু, সাংবাদিক শাহ ফুজায়েল আহমদসহ বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী সদস্য আবুল হোসেন ভূঁইয়া, মুহাম্মদ জুয়েল মিয়া, সংগঠনের সভাপতি শাহজাহান মিয়া, সহ-সভাপতি নাঈম শরীফ, সাধারণ সম্পাদক ফয়ছল আহমেদ, প্রতিষ্ঠাতা ও যুগ্ম সম্পাদক রাহিম আফ্রিদি, সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হায়দার, প্রচার সম্পাদক মুবিন উদ্দিন, সিনিয়র সদস্য রেজাউল ইসলাম, সফর মিয়া, জহির মিয়া, হাবিবুর রহমান হাবিবসহ কার্যনির্বাহী সদস্য ও অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

ইফতার পূর্বে সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় এবং দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া পাঠ করা হয়।

অনুষ্ঠানটি সামাজিক সংহতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে স্থানীয়রা উল্লেখ করেছেন। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিতরা এই ধরনের উদ্যোগকে উৎসাহিত করার জন্য তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত ভাগাভাগি করেন।

জগন্নাথপুরে মিষ্টির দোকানে অভিযান, জরিমানা

জগন্নাথপুরে মিষ্টির দোকানে অভিযান, জরিমানা
জগন্নাথপুর বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে লাইসেন্স নবায়ন না থাকায় একটি মিষ্টির দোকানকে জরিমানা করা হয়।

সুনামগঞ্জের Jagannathpur উপজেলার সদরের বাজারে বাজার মনিটরিং ও মূল্যতালিকা নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে একটি মিষ্টির দোকানকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

রোববার (৮ মার্চ) দুপুরে উপজেলা সদরের বাজারে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, বাজার মনিটরিং কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন Bangladesh Standards and Testing Institution–এর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের প্রসিকিউটর (মেট্রোলজি) সুপান্থ জয় এবং জগন্নাথপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহসীন উদ্দীন।

অভিযান চলাকালে একটি মিষ্টির দোকানে বিএসটিআই লাইসেন্স নবায়ন না থাকার বিষয়টি ধরা পড়ে। এ কারণে ওজন ও পরিমাপ মানদণ্ড আইনের আওতায় প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয় এবং তা আদায় করা হয়।

তবে অভিযানে খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, প্যাকেজিং কার্যক্রম এবং ব্যবহৃত কাঁচামাল সঠিক পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এ সময় বাজারের কয়েকটি দোকান পরিদর্শন করে সরকারি আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা এবং লাইসেন্স হালনাগাদ রাখার জন্য ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়।

অভিযান শেষে বিএসটিআইয়ের প্রসিকিউটর সুপান্থ জয় বলেন, বাজার মনিটরিং ও মূল্যতালিকা নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, প্যাকেজিং কার্যক্রম এবং ব্যবহৃত কাঁচামাল সঠিকভাবে ব্যবহারের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কোনো দোকানে অনিয়মের অভিযোগ থাকলে তথ্য ও প্রমাণসহ প্রশাসনকে জানানোর জন্য সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করা হচ্ছে।

জনস্বার্থে এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

রিপোর্ট : মুবিন উদ্দিন জগন্নাথপুর ( সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

হাদি হত্যাকারীর সঙ্গে জুমার সেলফি? যা বলল অনুসন্ধান

হাদি হত্যাকারীর সঙ্গে জুমার সেলফি? যা বলল অনুসন্ধান
ছবি সংগৃহীত।

শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি একটি ছবি ভাইরাল হয়, যেখানে হাদি হত্যার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ–এর সঙ্গে ফাতিমা তাসনিম জুমা–কে সেলফি তুলতে দেখা যাচ্ছে বলে দাবি করা হয়।

উল্লেখ্য, ইনকিলাব মঞ্চের অন্যতম সংগঠক এবং ডাকসু নেত্রী জুমা এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে গণমাধ্যমে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন।

একটি বেসরকারি টেলিভিশনের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, যদি তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ থাকে তাহলে প্রশাসনের কাছে তার অনুরোধ—তাকে গ্রেফতার করে যথাযথ তদন্ত করা হোক।

জুমা বলেন, “আমার যদি কোনো দোষ থাকে, তাহলে আমাকে গ্রেফতার করা হোক এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। তদন্তে যদি কিছু পাওয়া যায়, তাহলে প্রশাসন যেন আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়।”

তিনি আরও বলেন, কেউ যদি তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করে, তবুও সত্য একদিন সামনে আসবেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে যে প্রচারণা চলছে, সেটি নতুন নয় বলেও দাবি করেন তিনি।

ইনকিলাব মঞ্চের এই নেত্রী বলেন, ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবি করায় অনেকের অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। তার মতে, যদি এই হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়, তাহলে অনেকেই এতে জড়িয়ে পড়তে পারেন।

জুমা বলেন, “যদি কেউ মনে করে আমাকে বা জাবের ভাইকে ফাঁসিয়ে অথবা ইনকিলাব মঞ্চ–কে চুপ করিয়ে হাদি হত্যার বিচার ধামাচাপা দেওয়া যাবে, তাহলে তারা ভুল ভাবছে। কারণ সারা দেশের মানুষ এই হত্যার বিচার দাবি করছে।”

এদিকে ভাইরাল হওয়া ছবিটি নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছে ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমার স্ক্যানার। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফয়সাল করিম মাসুদের সঙ্গে ফাতিমা তাসনিম জুমার যে ছবিটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, সেটি প্রকৃত নয়।

রিউমার স্ক্যানারের অনুসন্ধানে জানা যায়, ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে এবং সেটিকে সত্য বলে প্রচার করা হচ্ছে। এ বিষয়ে যাচাই করে দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য বা প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

ফ্যাক্টচেক সংস্থাটি আরও জানায়, বিষয়টি নিয়ে প্রাসঙ্গিক কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করে অনুসন্ধান চালিয়েও আলোচিত দাবির পক্ষে কোনো বিশ্বাসযোগ্য সূত্র পাওয়া যায়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা ভুয়া ছবি ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা দিন দিন বাড়ছে। তাই এমন তথ্য বা ছবি দেখলে তা যাচাই করে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

সূত্র: রিউমার স্ক্যানার ও বিভিন্ন গণমাধ্যম।

ইফতার রান্না ঘিরে কটাক্ষের জবাব দিলেন ডেইজি শাহ

ইফতার রান্না ঘিরে কটাক্ষের জবাব দিলেন ডেইজি শাহ
ছবি সংগৃহীত।

কোরিওগ্রাফার হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করা বলিউড অভিনেত্রী Daisy Shah ২০১৪ সালে Jai Ho সিনেমায় Salman Khan–এর বিপরীতে অভিনয়ের মাধ্যমে বিশেষ পরিচিতি পান। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সক্রিয় তিনি।

সম্প্রতি মুম্বাইয়ের রাস্তায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে ইফতার তৈরিতে অংশ নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর কটাক্ষের মুখে পড়েন এই অভিনেত্রী। ভিডিওতে তাকে রাস্তার পাশে ইফতার প্রস্তুতিতে সহায়তা করতে দেখা যায়।

ভিডিওটি প্রকাশের পর এক নেটিজেন অভিনেত্রীর পুরোনো একটি ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে বিদ্রূপমূলক মন্তব্য করেন। গত বছর Mumbai–এর Bandra এলাকায় নির্বাচনি প্রচারের সময় অনিয়ন্ত্রিত আতশবাজির কারণে একটি আবাসিক ভবনে আগুন লাগার ঘটনায় জননিরাপত্তা নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন ডেইজি শাহ। সেই ঘটনার প্রতিবাদে তিনি আতশবাজির ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন।

সেই প্রসঙ্গ টেনেই নেটিজেন মন্তব্য করেন, “আতশবাজি নিয়ে যার সমস্যা, তিনি আবার ইফতারের রান্নায় অংশ নিচ্ছেন।”

এই মন্তব্যের জবাবে স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া জানান অভিনেত্রী। তিনি বলেন, জননিরাপত্তার স্বার্থে আতশবাজির বিরোধিতা করা এবং মানুষের সঙ্গে ইফতার প্রস্তুতিতে অংশ নেওয়া সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।

নেটিজেনকে উদ্দেশ্য করে তিনি আরও বলেন, ধর্মের দোহাই দিয়ে ঘৃণা ছড়ানোর এই প্রচেষ্টা অনাকাঙ্ক্ষিত। পাশাপাশি তিনি ওই ব্যক্তির দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন বলেও মন্তব্য করেন।

ডেইজি শাহর এই জবাব সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে। অনেক নেটিজেন তার অবস্থানকে সমর্থন জানিয়ে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক সহাবস্থানের বার্তা দেওয়ার জন্য প্রশংসাও করেছেন।

সূত্র: বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রতিবেদন।

ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার হলেন মোজতবা খামেনি

ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার হলেন মোজতবা খামেনি
ছবি সংগৃহীত।

ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন Mojtaba Khamenei। রোববার (৮ মার্চ) দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের ৮৮ জন ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব নিয়ে গঠিত Assembly of Experts সর্বশেষ ভোটাভুটির মাধ্যমে তাকে দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নির্বাচন করেছে।

নির্বাচনের পর অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্ট দেশটির জনগণ ও রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে নতুন নেতার প্রতি সমর্থন জানানোর আহ্বান জানিয়েছে।

৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি এর আগে কখনো সরাসরি কোনো সরকারি দায়িত্ব পালন করেননি এবং কোনো নির্বাচনে অংশও নেননি। তবে তার বাবা ও ইরানের দীর্ঘদিনের সুপ্রিম লিডার Ali Khamenei দায়িত্বে থাকার সময় থেকেই দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তার উল্লেখযোগ্য প্রভাব ছিল।

বিশেষ করে তিনি ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী Islamic Revolutionary Guard Corps–এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। তার বাবা বৃদ্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই তাকে সম্ভাব্য পরবর্তী সুপ্রিম লিডার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছিল।

তবে এতদিন মোজতবা খামেনি নিজে কখনো প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি।

অন্যদিকে, কয়েকদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump সতর্ক করে বলেন, মোজতবা খামেনি যদি ইরানের সুপ্রিম লিডার হন, তবে তা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। তিনি আরও মন্তব্য করেন, ইরানের নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

তবে এসব মন্তব্য উপেক্ষা করেই অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্ট মোজতবা খামেনিকেই নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে ঘোষণা করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

সূত্র: Al Jazeera

সৌদির শায়েবাহ তেলখনিতে ফের ইরানের ড্রোন হামলা

সৌদির শায়েবাহ তেলখনিতে ফের ইরানের ড্রোন হামলা
সূত্র: Al Jazeera

সৌদি আরবের অন্যতম বৃহৎ তেলক্ষেত্র Shaybah Oil Field লক্ষ্য করে আবারও ড্রোন হামলা চালিয়েছে Iran। সোমবার (৯ মার্চ) ভোরের দিকে বিস্ফোরকবাহী চারটি ড্রোন ওই তেলখনির দিকে নিক্ষেপ করা হয়।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম Al Jazeera–এর প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তবে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, তেলক্ষেত্রে আঘাত হানার আগেই দেশটির এয়ার ডিফেন্স ব্যবস্থা ড্রোনগুলোকে ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে। ফলে শায়েবাহ তেলক্ষেত্রে কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।

সৌদি প্রতিরক্ষা কর্তৃপক্ষের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দেশের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো রক্ষায় তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি United StatesIsrael–এর হামলা শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৯ দিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র আরব দেশগুলোর বিভিন্ন মার্কিন সামরিক ঘাঁটি, স্থাপনা ও তেল স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে একের পর এক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান।

এর আগে শায়েবাহ তেলক্ষেত্রকে লক্ষ্য করে তিনবার হামলা চালানোর পর রোববার ইরানকে কঠোর সতর্কবার্তা দেয় Saudi Arabia। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, প্রতিবেশী দেশগুলোর তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত থাকলে চলমান সংঘাতে ইরানের জন্য গুরুতর পরিণতি অপেক্ষা করছে।

তবে ওই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেই চতুর্থবারের মতো শায়েবাহ তেলক্ষেত্রে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান এই সংঘাত জ্বালানি নিরাপত্তা ও বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।

সূত্র: Al Jazeera