Home জাতীয়

নতুন সরকারে তারেকের ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জ

5
0
ছবি সংগৃহীত।

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের দেড় বছর পর অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে নতুন সরকার।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এই নির্বাচনি ফলাফলকে অনেক বিশ্লেষক জনঅভ্যুত্থানের রাজনৈতিক স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন। দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে বিচার সম্পন্ন ও দণ্ডাদেশ ঘোষণার বিষয়টি নতুন কূটনৈতিক টানাপোড়েনের জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে ভারত তাকে প্রত্যর্পণে রাজি না হওয়ায় ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, শেখ হাসিনার শাসনামলে আঞ্চলিক কূটনীতিতে ভারতের দিকে ঝোঁক ছিল স্পষ্ট। নিরাপত্তা সহযোগিতা, সংযোগ ও জ্বালানি খাতে ঘনিষ্ঠতা বাড়লেও তিস্তা চুক্তি ও সীমান্ত ইস্যু অমীমাংসিত ছিল।

ক্ষমতায় এসে তারেক রহমান ‘বাংলাদেশ সবার আগে’ নীতির কথা ঘোষণা করেছেন। ইতোমধ্যে ভারত ও পাকিস্তান—উভয় দেশ থেকেই শুভেচ্ছা বার্তা পেয়েছেন তিনি। এদিকে অন্তর্বর্তী সময়েই ইসলামাবাদের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরুদ্ধার ও বাণিজ্য বৃদ্ধি নতুন কূটনৈতিক বাস্তবতার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

পর্যবেক্ষকদের মতে, সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হবে—ভারত, পাকিস্তান, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রসহ আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শক্তিগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা। নাটকীয় পরিবর্তনের বদলে বাস্তববাদী ও স্বার্থকেন্দ্রিক পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণই হতে পারে নতুন সরকারের কৌশল।

সূত্র: সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক সূত্র ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিশ্লেষণ।

প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন ও প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here