Home Blog Page 2

ডিআরইউ সদস্যদের জন্য জ্বালানি সুবিধা ঘোষণা

0
ডিআরইউ সদস্যদের জন্য জ্বালানি সুবিধা ঘোষণা
ছবি সংগৃহীত

রাজধানীর সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে সহায়তা দিতে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-এর সদস্যদের জন্য জ্বালানি তেল সরবরাহের ঘোষণা দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এই উদ্যোগের ঘোষণা দেন রমনা পেট্রোল পাম্পের মালিক এবং বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি মো. নাজমুল হক

তিনি জানান, আগামী মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে ডিআরইউ সদস্যরা রমনা পেট্রোল পাম্প থেকে জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারবেন। নির্ধারিত নিয়ম ও প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এ সুবিধা দেওয়া হবে।

নাজমুল হক বলেন, সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে প্রতিনিয়ত মাঠপর্যায়ে ছুটতে হয়। নিজস্ব যানবাহনে তাদের চলাচল সহজ ও নির্বিঘ্ন করতে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, খুব শিগগিরই এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা প্রকাশ করা হবে, যাতে সদস্যরা সহজেই এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন।

উদ্যোক্তাদের মতে, এই পদক্ষেপ সাংবাদিকদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে এবং সংবাদ সংগ্রহের কাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

ডিআরইউ সদস্যরা রমনা পেট্রোল পাম্পে গিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করে এবং ঘোষণার বিষয়টি উল্লেখ করে জ্বালানি তেল গ্রহণ করতে পারবেন।

উড্ডয়নের পরই বিমান বিধ্বস্ত, নিহত বহু

উড্ডয়নের পরই বিমান বিধ্বস্ত, নিহত বহু
ছবি সংগৃহীত

দক্ষিণ আমেরিকার দেশ কলম্বিয়া-এর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় অন্তত ৬৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত অবস্থায় আরও বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (২৩ মার্চ) দেশটির আমাজন অঞ্চলের পুতুমায়ো প্রদেশের পুয়ের্তো লেগুইজামো এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এলাকাটি পেরুইকুয়েডর সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত।

দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পেড্রো সানচেজ জানিয়েছেন, ১২১ আরোহী নিয়ে উড্ডয়ন করার কিছুক্ষণের মধ্যেই সামরিক পরিবহন বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। নিহতদের অধিকাংশই ছিলেন সৈন্য।

বিমানবাহিনীর তথ্যমতে, হারকিউলিস সি-১৩০ মডেলের এই বিমানটিতে ১১০ জন সৈন্য এবং ১১ জন ক্রু সদস্য ছিলেন। তারা একটি সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে অন্য একটি শহরে যাচ্ছিলেন।

দুর্ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। অন্তত ৭৭ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারাও উদ্ধারকাজে অংশ নেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, মোটরসাইকেলে করে আহতদের দ্রুত স্থানান্তর করা হচ্ছে।

কলম্বিয়ার বিমানবাহিনীর কমান্ডার কার্লোস ফার্নান্দো সিলভা জানান, বিমানটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ার পর এটি বিমানবন্দর থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।

দেশটির প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো এই দুর্ঘটনাকে জাতীয় শোক হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি সামরিক বাহিনীর বিমান ও সরঞ্জাম আধুনিকীকরণের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং প্রশাসনিক জটিলতার সমালোচনা করেন।

তিনি আরও বলেন, যদি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যর্থ হন, তাহলে তাদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে।

এই দুর্ঘটনা কলম্বিয়ার জন্য গভীর শোকের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হচ্ছে।

সূত্র

চ্যানেল নিউজ এশিয়া

হরমুজে উত্তেজনা, তেলের বাজারে আগুন

হরমুজে উত্তেজনা, তেলের বাজারে আগুন
ছবি সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করেছে। হরমুজ প্রণালি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর অবস্থান এবং ইসরাইলের সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণার প্রভাবে আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজারে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার আলটিমেটাম দিয়েছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রণালি চালু না করলে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।

এদিকে ইসরাইল জানিয়েছে, চলমান সামরিক সংঘাত আরও কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে, যা সরাসরি প্রভাব ফেলছে বিশ্ববাজারে।

বার্তা সংস্থার তথ্যমতে, বাজার খোলার সঙ্গে সঙ্গেই তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা যায়। মার্কিন অপরিশোধিত তেলের মূল্য বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের সীমা অতিক্রম করে। যদিও কিছু সময় পর দাম সামান্য কমে আসে, তবে বাজারে অস্থিরতা থেকেই গেছে।

একই সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দামও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যায় এবং তা ব্যারেলপ্রতি ১১৩ ডলারের বেশি স্পর্শ করে। পরে কিছুটা কমে ১১১ ডলারের কাছাকাছি স্থির হয়।

উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সংঘাত শুরুর আগে তেলের দাম অনেকটাই কম ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক উত্তেজনার কারণে অল্প সময়ের মধ্যেই বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ পথ হওয়ায় এখানে কোনো ধরনের অচলাবস্থা তৈরি হলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে বড় প্রভাব পড়তে পারে। পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে তেলের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বড় চাপ সৃষ্টি করবে।

সূত্র

দ্য গার্ডিয়ান, এএফপি

ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র তাণ্ডব, আতঙ্ক ছড়াচ্ছে

ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র তাণ্ডব, আতঙ্ক ছড়াচ্ছে
ছবি সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ চরমে পৌঁছেছে। ইসরাইলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে দফায় দফায় শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান। এতে প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

শনিবার একাধিক দফায় চালানো হামলায় ইসরাইলের ডিমোনা ও আরাদ শহরে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে কয়েক ডজন ভবন ধসে পড়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

ইসরাইলের বিভিন্ন শহরে হামলার পরপরই সাইরেন বাজতে শুরু করে। নাগরিকদের মোবাইল ফোনে সতর্কবার্তা পাঠানো হয় এবং নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর না থাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বাড়ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইসরাইলের সোরোকা মেডিকেল সেন্টারে এক রাতেই প্রায় ১৫০ জন আহত ব্যক্তি চিকিৎসা নিয়েছেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জরুরি চিকিৎসা সেবা জোরদার করেছে।

এদিকে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে এবং তা প্রতিহত করতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে। এক ঘণ্টার মধ্যেই একাধিক সতর্কবার্তা জারি করা হয়, যা পরিস্থিতির ভয়াবহতাকে আরও স্পষ্ট করে।

মধ্য ও উত্তর ইসরাইলে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। কিছু এলাকায় হতাহতের খবর নিশ্চিত করা হলেও অনেক তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এ ধরনের পাল্টাপাল্টি হামলা চলতে থাকলে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে এবং এর প্রভাব পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

সূত্র

আলজাজিরা

ঐক্যের ডাক তারেক রহমানের, গড়তে চান প্রত্যাশিত বাংলাদেশ

ঐক্যের ডাক তারেক রহমানের, গড়তে চান প্রত্যাশিত বাংলাদেশ
ছবি: সংগৃহীত

দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তারেক রহমান। শনিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ঈদ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ এবং সাম্প্রতিক সময়ের শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি। ঈদের এই পবিত্র দিনে মহান আল্লাহর কাছে তিনি প্রার্থনা করেন, যেন দেশের মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি উন্নত ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হয়।

তিনি আরও বলেন, একটি প্রত্যাশিত দেশ গঠনে দল-মত নির্বিশেষে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। এজন্য তিনি দেশবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেন। জনগণের সমর্থন ও অংশগ্রহণ থাকলে সরকার দেশের উন্নয়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে বলেও জানান তিনি।

ঈদের দিন নামাজ আদায়ের পর প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কূটনীতিক, শিক্ষাবিদ, আলেম-ওলামা, শিল্পী-সাহিত্যিকসহ সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গেও তিনি কুশল বিনিময় করেন। পরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে শেরেবাংলা নগরে গিয়ে তিনি তার বাবা জিয়াউর রহমান এবং মা খালেদা জিয়া-এর কবর জিয়ারত করেন এবং তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পরবর্তীতে তিনি গুলশানের বাসভবনে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান বলে জানা গেছে।

সূত্র:
গণমাধ্যম প্রতিবেদন

ঈদে ঐক্যের বার্তা দিলেন তারেক রহমান, শুভেচ্ছা বিশ্ব মুসলিমকে

ঈদে ঐক্যের বার্তা দিলেন তারেক রহমান, শুভেচ্ছা বিশ্ব মুসলিমকে
ছবি: সংগৃহীত

দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তারেক রহমান। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, এই পবিত্র উৎসব জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করবে।

শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি দেশ-বিদেশের মুসলমানদের উদ্দেশে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানান। বাণীতে তিনি উল্লেখ করেন, ঈদুল ফিতর মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব, যা এক মাসের সিয়াম সাধনার পর আনন্দ, শান্তি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা নিয়ে আসে।

তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস মানুষকে সংযম, ত্যাগ ও আত্মশুদ্ধির শিক্ষা দেয়। এই সময়ের ইবাদত মানুষের মধ্যে আত্মসংযম তৈরি করে এবং অন্যের কষ্ট অনুভব করতে শেখায়। এর মাধ্যমে সমাজে সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব গড়ে ওঠে।

তিনি আরও বলেন, রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জীবনে প্রতিফলিত করাই ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য। ঈদের আনন্দ যেন ধনী-গরিব, ছোট-বড় সকল ভেদাভেদ ভুলে একে অপরের সঙ্গে ভাগাভাগি করা হয়, সে আহ্বান জানান তিনি।

বিশেষ করে অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেওয়াই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

তিনি দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি মানবিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

শেষে তিনি মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন, যেন ঈদের আনন্দ, রহমত ও বরকত সবার জীবনে নেমে আসে এবং দেশ ও জাতি শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যায়।

সূত্র:
গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতি

ঈদের তারিখ চূড়ান্ত, শনিবারেই সারা দেশে আনন্দ উৎসব

ঈদের তারিখ চূড়ান্ত, শনিবারেই সারা দেশে আনন্দ উৎসব
ছবি: সংগৃহীত

দেশের আকাশে ১৪৪৭ হিজরি সনের পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় আগামী শনিবার সারা দেশে যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে অনুষ্ঠিত জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন। বৈঠক শেষে জানানো হয়, দেশের কোথাও চাঁদ দেখা না যাওয়ায় রমজান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হচ্ছে এবং পরদিন শনিবার ঈদ উদযাপিত হবে।

ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ সারাদেশে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে বিকল্প হিসেবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

ঈদের জামাত নির্বিঘ্ন করতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে রয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সিসিটিভি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

এদিকে ঈদ উপলক্ষে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হয়েছে। রাজধানী থেকে গ্রামে ছুটছেন লাখো মানুষ। পাশাপাশি ঈদের দিন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে বিনামূল্যে প্রবেশের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

সারা দেশে ঈদকে ঘিরে আনন্দ, উৎসব ও ধর্মীয় আবহে প্রস্তুত সবাই।

সূত্র:
ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি

ঈদের সাজে ছোট ভুলেই নষ্ট হতে পারে সৌন্দর্য

ঈদের সাজে ছোট ভুলেই নষ্ট হতে পারে সৌন্দর্য
ঈদের সাজে নিখুঁত লুক পেতে প্রয়োজন সঠিক মেইকআপ ও ত্বকের যত্ন ছবি সংগৃহীত

পবিত্র ঈদুল ফিতর মানেই নতুন পোশাক, নতুন সাজ আর আনন্দের মুহূর্ত। এই দিনে সবাই চান নিজেকে সবচেয়ে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে। তবে সামান্য কিছু ভুলেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে পুরো সাজের সৌন্দর্য।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেকেই অতিরিক্ত সাজ এড়াতে গিয়ে এমনভাবে মেইকআপ করেন, যাতে মুখে ক্লান্তি বা অনুজ্জ্বল ভাব থেকেই যায়। আবার কেউ কেউ অতিরিক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করে মুখকে কৃত্রিম করে ফেলেন। তাই স্বাভাবিক সৌন্দর্য বজায় রেখে পরিমিত ও সঠিক মেইকআপ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সাজের শুরুতেই ত্বকের যত্ন নেওয়া জরুরি। পরিষ্কার ত্বকে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করলে মেইকআপ দীর্ঘ সময় সুন্দর থাকে। ত্বক শুষ্ক হলে মেইকআপ ফেটে যেতে পারে বা ভারী দেখাতে পারে। তাই ত্বক আর্দ্র রাখা প্রয়োজন।

চোখের নিচের অংশ উজ্জ্বল রাখা সাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। অনেক সময় মুখে মেইকআপ করা হলেও চোখের নিচে ক্লান্তির ছাপ থেকে যায়। সে ক্ষেত্রে হালকা রঙের কনসিলার ব্যবহার করলে মুখের উজ্জ্বলতা বাড়ে। তবে সঠিক জায়গায় কনসিলার ব্যবহার করাই সবচেয়ে জরুরি।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের ধরন পরিবর্তিত হয়। বিশেষ করে শুষ্ক ত্বকের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত যত্ন প্রয়োজন। প্রয়োজন অনুযায়ী ময়েশ্চারাইজার বা তেলভিত্তিক পণ্য ব্যবহার করলে ত্বকে প্রাকৃতিক আভা ফিরে আসে।

এছাড়া অতিরিক্ত কনট্যুরিং অনেক সময় স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট করে দেয়। হালকা ব্রোঞ্জার ও হাইলাইটার ব্যবহার করলে মুখের গঠন স্বাভাবিকভাবেই ফুটে ওঠে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্রসাধনী নির্বাচন করা। তৈলাক্ত ত্বকের জন্য হালকা পাউডার এবং শুষ্ক ত্বকের জন্য ময়েশ্চারযুক্ত পণ্য ব্যবহার করলে সাজ হয় আরও নিখুঁত ও প্রাকৃতিক।

সব মিলিয়ে বলা যায়, ঈদের দিনে নিখুঁত সাজ পেতে হলে অতিরিক্ত কিছু নয়, বরং সঠিক নিয়মে স্বাভাবিক সৌন্দর্য তুলে ধরাই সবচেয়ে বড় কৌশল।

ঈদের আগেই ঝড়-বৃষ্টি, ভোগান্তিতে ঢাকাবাসী

ঈদের আগেই ঝড়-বৃষ্টি, ভোগান্তিতে ঢাকাবাসী
ঈদের আগের দিন রাজধানীতে ঝড়-বৃষ্টি, বিপাকে ঘরমুখো মানুষ ছবি সংগৃহীত

ঈদের ঠিক আগের দিন রাজধানী ঢাকা-তে হঠাৎ করেই শুরু হয়েছে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টি। বজ্রপাত, বিদ্যুতের ঝলকানি এবং মেঘের গর্জনে মুহূর্তেই আবহাওয়া ভয়াবহ রূপ নেয়, এতে ভোগান্তিতে পড়েন ঘরমুখো মানুষ।

শুক্রবার বেলা ১১টার পর আকাশ কালো করে শুরু হয় দমকা হাওয়া ও বৃষ্টি। কিছু এলাকায় সকাল থেকেই ধূলিঝড়ের খবর পাওয়া যায়। ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাত ও বিদ্যুৎ চমকানোর ঘটনাও জনমনে আতঙ্ক তৈরি করে।

গত কয়েকদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টির প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, এই অস্থির পরিস্থিতি আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।

এদিকে আগামীকাল পালিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। তবে উৎসবের দিনেও আবহাওয়া স্বস্তিদায়ক হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দেশের আট বিভাগেই কোথাও না কোথাও বৃষ্টি ও দমকা হাওয়াসহ ঝড় হতে পারে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে।

বিশেষ করে রংপুর বিভাগ, রাজশাহী বিভাগ, ঢাকা বিভাগ, ময়মনসিংহ বিভাগ এবং সিলেট বিভাগ-এর কিছু এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি খুলনা বিভাগ, বরিশাল বিভাগচট্টগ্রাম বিভাগ-এর দু-এক জায়গায়ও বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ঈদের আনন্দের মাঝেও এমন অনিশ্চিত আবহাওয়া ঘরমুখো মানুষের যাত্রায় কিছুটা ভোগান্তি বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সূত্র:
আবহাওয়া অধিদপ্তর ও স্থানীয় পর্যবেক্ষণ

ভারতে মৃত্যু, ৩৮ দিন পর দেশে ফিরল খাইরুজ্জামালের লাশ

ভারতে মৃত্যু, ৩৮ দিন পর দেশে ফিরল খাইরুজ্জামালের লাশ
ছবি সংগৃহীত

ভারতে কারাবন্দি অবস্থায় মৃত্যুর ৩৮ দিন পর কুড়িগ্রামের বাসিন্দা খাইরুজ্জামালের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে লালমনিরহাটের চেংড়াবান্দা (বুড়িমারী) স্থলবন্দর ইমিগ্রেশন দিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে তার মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

খাইরুজ্জামাল (৪২) কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার গুনাইগাছ ইউনিয়নের পশ্চিম কালুডাঙা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মৃত আব্দুল্লার ছেলে।

পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে জীবিকার সন্ধানে ভারতে অনুপ্রবেশ করেন তিনি। সেখানে ভারতীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়ে দীর্ঘদিন কারাভোগ করছিলেন। কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ১০ ফেব্রুয়ারি তাকে জলপাইগুড়ি সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

তার মৃত্যুর পর মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনতে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘ প্রশাসনিক ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। টানা ৩৮ দিনের প্রচেষ্টার পর কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রতিনিধি, বিজিবি, বিএসএফ, দুই দেশের পুলিশ ও কাস্টমস কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মরদেহটি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।

পরে বৃহস্পতিবার রাতে নিজ গ্রাম পশ্চিম কালুডাঙার পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।

উলিপুর থানার ওসি সাইদ ইবনে সিদ্দীক জানান, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং রাতেই দাফন সম্পন্ন হবে।

সূত্র:
স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সূত্র