ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলার পর সৃষ্ট যুদ্ধাবস্থা গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। হতাহতের খবর ও ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে। দেশের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি–সহ বহু মানুষের প্রাণহানির খবর ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন সূত্রে, যদিও এসব তথ্য স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এমন পরিস্থিতিতে প্রায় ১৩ হাজার কিলোমিটার দূরে অস্ট্রেলিয়ার কুইনসল্যান্ডে নারী এশিয়ান কাপ খেলতে অবস্থান করছে ইরান নারী ফুটবল দল। গোল্ড কোস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন দলের ফরোয়ার্ড সারা দিদার।
সারা বলেন, ইরানে থাকা পরিবার ও প্রিয়জনদের নিয়ে তারা দুশ্চিন্তায় আছেন। যুদ্ধের এই সময়ে দেশের মানুষের কষ্ট তাদের মানসিকভাবে নাড়া দিচ্ছে। তবুও দেশ শক্তভাবে টিকে থাকবে—এমন আশাই ব্যক্ত করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইরানের কোচ মারজিয়া জাফারি। তিনিও আবেগ ধরে রাখতে পারেননি। তিনি বলেন, কেউ যুদ্ধ চায় না; তবে তারা পেশাদার দায়িত্ব পালন করতে মাঠে নামছেন এবং ম্যাচে মনোযোগ ধরে রাখার চেষ্টা করছেন।
কোচ আরও জানান, অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত ইরানি-অস্ট্রেলীয় সম্প্রদায় তাদের সমর্থন করছেন, যা দলকে অনুপ্রাণিত করছে।
এদিকে আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার খবর। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, চলমান সংঘাত দ্রুত প্রশমিত না হলে এর প্রভাব ক্রীড়াঙ্গনসহ নানা ক্ষেত্রে পড়তে পারে।
সূত্র: আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও সংশ্লিষ্ট সংবাদ সম্মেলন।
প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন ও প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন











