বিশ্ব জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে রাশিয়ার তেলের কোনো বিকল্প নেই বলে দাবি করেছেন দেশটির বিশেষ অর্থনৈতিক দূত কিরিল দিমিত্রিভ।
টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, রাশিয়ার তেল ছাড়া বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব নয়। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র কার্যত এই বাস্তবতাকেই স্বীকার করে নিচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রুশ তেলের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ বজায় রাখতে রাশিয়ার তেল অপরিহার্য বলে দাবি করেন তিনি।
সম্প্রতি আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ায় একটি বিশেষ অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে সাগরে ভাসমান জাহাজে থাকা রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য সাময়িকভাবে কেনার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
মূলত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সরবরাহ সংকট এড়াতে এবং বাজার স্থিতিশীল রাখতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে গেছে। ব্যারেলপ্রতি দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে চার বছরের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে জানা গেছে।
এমন পরিস্থিতিতে বাজার নিয়ন্ত্রণে বড় ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন প্রশাসন। রাশিয়ার ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সমুদ্রের মাঝপথে আটকে থাকা রুশ অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়াম পণ্য কেনার জন্য বিভিন্ন দেশকে ৩০ দিনের বিশেষ সময়সীমা দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এই বিশেষ লাইসেন্স প্রদান করেছে। এর ফলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিভিন্ন দেশ সাগরে থাকা রাশিয়ার তেল ক্রয়ের সুযোগ পাবে।
এর আগে ৫ মার্চ ভারতের জন্য একইভাবে ৩০ দিনের একটি বিশেষ ছাড় দেওয়া হয়েছিল। ফলে সাগরে আটকে থাকা রুশ তেল কেনার সুযোগ পায় দেশটি।
বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেলের সরবরাহ ও দামের ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়ছে।
সূত্র: বিবিসি।
প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন ও প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন











