শুরুটা মোটেও স্বস্তির ছিল না ওয়েস্ট ইন্ডিজের। স্কটল্যান্ডের আমন্ত্রণে ব্যাটিংয়ে নেমে পাওয়ার প্লেতে ধীরগতির ব্যাটিংয়ে ভুগতে হয় ক্যারিবিয়ানদের। প্রথম ছয় ওভারে বিনা উইকেটে সংগ্রহ ছিল মাত্র ৩৩ রান।
ইনিংসের শুরুতে ব্র্যান্ডন কিং একটি চার মেরে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিলেও তিনি ও শাই হোপ কেউই দ্রুত রানের গতি তুলতে পারেননি। পাওয়ার প্লের শেষ দুই ওভারে আসে মাত্র ৬ রান, যা চাপ বাড়িয়ে দেয় ব্যাটিং ইউনিটের ওপর।
তবে সপ্তম ওভার থেকেই বদলে যায় দৃশ্যপট। ব্র্যান্ডন কিং ওই ওভারে একটি ছক্কা ও দুটি চারে ১৭ রান তুলে আক্রমণের সূচনা করেন। নবম ওভারে শাই হোপ আউট হন ২২ বলে ১৯ রান করে। পরের ওভারে কিংও বিদায় নেন—৩০ বলে ৩৫ রান করে।
এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেন শিমরন হেটমায়ার ও অধিনায়ক রভম্যান পাওয়েল। ১১ থেকে ১৩ ওভারে পাঁচটি ছক্কা ও দুটি চারে তারা দ্রুত ৪৯ রান যোগ করেন। হেটমায়ার মাত্র ২২ বলে নিজের ফিফটি পূর্ণ করেন, যা স্কটল্যান্ডের বোলারদের চাপে ফেলে দেয়।
শেষদিকে কিছুটা ধীরতা এলেও ১৭তম ওভারে তিনটি চার মেরে আবার ছন্দ ফেরান হেটমায়ার। শেষ পর্যন্ত ৩৬ বলে ২ চার ও ৬ ছক্কায় ৬৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। রাদারফোর্ড করেন ১৩ বলে ২৬ রান। রোমারিও শেফার্ডের শেষ মুহূর্তের ছক্কায় ৫ উইকেটে ১৮২ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
সূত্র
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংবাদ মাধ্যম ও ম্যাচ পর্যবেক্ষণ
প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন ও প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন











