সৌদি আরবে আজ মঙ্গলবার জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে। সে হিসাবে দেশটিতে ১০ জিলহজ আগামী ৬ জুন (শুক্রবার) পবিত্র ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হবে।
আজ মঙ্গলবার সৌদি আরব কর্তৃপক্ষ ঈদুল আজহার তারিখ ঘোষণা করে। ঈদের আগের দিন ৫ জুন পবিত্র হজ পালিত হবে।
ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের আরো কয়েকটি দেশে আগামী ৬ জুন ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হবে। এর আগে, ইন্দোনেশিয়া একই দিন ঈদুল আজহা উদ্যাপনের ঘোষণা দেয়।
সাধারণত সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ঈদ উদ্যাপনের পরদিন বাংলাদেশে ঈদ উদ্যাপিত হয়ে থাকে। সে হিসাবে চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৭ জুন (শনিবার) বাংলাদেশে ঈদুল আজহা উদ্যাপিত হতে পারে।
বাংলাদেশে ঈদুল আজহা কবে উদযাপিত হবে, তা নির্ধারণে আগামীকাল বুধবার সভায় বসবে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে কমিটির সভা হবে।সভায় ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেনের সভাপতিত্ব করার কথা রয়েছে।
ওই দিন দেশের আকাশে কোথাও জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেলে টেলিফোনে (০২-২২৩৩৮১৭২৫, ০২-৪১০৫০৯১২, ০২-৪১০৫০৯১৬, ০২-৪১০৫০৯১৭), ফ্যাক্স নম্বরে (০২-২২৩৩৮৩৩৯৭ ও ০২-৯৫৫৫৯৫১) জানাতে অথবা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক বা উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে জানাতে অনুরোধ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
বুধবার সন্ধ্যায় নতুন চাঁদ দেখা গেলে বৃহস্পতিবার থেকে হিজরি পঞ্জিকার জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশে কোরবানির ঈদ হবে ৭ জুন।আর বুধবার চাঁদ দেখা না গেলে বৃহস্পিতিবার জিলকদ মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে। সেক্ষেত্রে শুক্রবার থেকে জিলহজ মাস গণনা শুরু হবে, আর ঈদ হবে ৮ জুন।জিলহজ মাসের ১০ তারিখে ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়।
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসবে পশু কোরবানি দেওয়া হয়, যার মধ্য দিয়ে নিজের ভেতরের কলুষতাকে বর্জন এবং সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি লাভই ইসলামের শিক্ষা।সুত্র:কালের কন্ঠ
মায়ানমারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. মনোয়ার হোসেনকে ‘অনতিবিলম্বে’ দায়িত্ব ত্যাগ করে ঢাকায় ফেরার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (২৭ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।২০২৩ সালের আগস্ট মাসে মনোয়ার হোসেন মায়ানমারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পান। তিনি নেইপিডোতে সাবেক রাষ্ট্রদূত মঞ্জুরুল করিম খানের স্থলাভিষিক্ত হন।
২০তম বিসিএসে ফরেন সার্ভিস ক্যাডারে প্রথম স্থান অধিকার করেন মনোয়ার।সম্প্রতি মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যের জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের যোগাযোগের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান। এটি প্রকাশ্যে আসায় ক্ষিপ্ত হয় জান্তা সরকার । এ নিয়ে জেনারেল মিন অং লাইয়ের সরকার ঢাকায় কূটনৈতিক পত্র দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিল।
এরপরই চলতি মাসের মাঝামাঝিতে মায়ানমারের ইয়াংগুনে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিরক্ষা শাখায় কর্মরত প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আফতাব হোসেনকে জরুরি ভিত্তিতে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়।মায়ানমারের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানের রাষ্ট্রদূতকে ফেরার নির্দেশ হঠাৎ কেন এলো জানতে চাইলে সরকারের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, একদিকে জান্তা, আরেক দিকে রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি। দুটিই ব্যালান্স করে পরিচালনা করতে চাইছে সরকার। জান্তার সঙ্গে কিছুটা টানাপোড়েনও চলছে।
তিনি বলেন, কয়েক দিন আগেই দেশে করিডর ইস্যুতে এতকিছু ঘটে গেল। এখনো বিতর্ক কমছে না। এমন পরিস্থিতিতে তার দেশে ফেরার বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর।
উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে মঙ্গলবার (২৭ মে)। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদরা বলছেন, লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা একেবারেই ক্ষীণ। এটি বড়জোর নিম্নচাপ বা গভীর নিম্নচাপ হতে পারে। তবে এর প্রভাবে আগামীকাল দেশে বৃষ্টি বাড়তে পারে।
তবে আবহাওয়া অফিস বলছে, বৃষ্টি সবচেয়ে বেশি থাকতে পারে আগামী তিন দিন, অর্থাৎ বৃহস্পতি থেকে শনিবার পর্যন্ত। ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকায় দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কিছু জেলায় আকস্মিক ও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কার কথাও জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।এমন পরিস্থিতিতে দেশের চার বিভাগে ভারি বর্ষণের সতর্কতা ও পাঁচ জেলায় পাহাড়ধসের সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সতর্ক বার্তায় বলা হয়েছে, সক্রিয় সঞ্চালনশীল মেঘমালার কারণে আজ সকাল ১০টা থেকে পরের ৭২ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারি (৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার) থেকে অতি ভারি (৮৯ মিলিমিটার বা বেশি) বর্ষণ হতে পারে।
অতি ভারি বর্ষণের কারণে চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও ভূমধসের আশঙ্কাও রয়েছে।অন্যদিকে লঘুচাপের প্রভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়ার বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর এবং কক্সবাজারে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।ভারি বর্ষণের আভাস, আকস্মিক বন্যার শঙ্কা—আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আরো পড়ুন
নগদ অর্থ উত্তোলন ও পরিবহনে ‘মানি এসকর্ট’ সেবা দেবে ডিএমপি
তবে আগামী বৃহস্পতিবার থেকে তিন দিন ক্রমেই বাড়তে পারে বৃষ্টিপাতের ব্যাপ্তি। আগামীকাল খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের বেশির ভাগ জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের বৃষ্টির পূর্বাভাস সিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্র ও শনিবার বৃষ্টি ছড়াতে পারে প্রায় সারা দেশেই। তবে আগামী রবিবার থেকে আবার বৃষ্টি কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
জানতে চাইলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক মঙ্গলবার রাতে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘লঘুচাপটি সৃষ্টি হয়েছে উপকূলের কাছাকাছি।
এর মানে এটি স্থলভাগে ওঠার আগে খুব বেশি শক্তি অর্জন করার সময় পাবে না। আবার দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বেশ কিছু অঞ্চল পর্যন্ত চলে আসায় দেশে বর্ষার প্রভাবও শুরু হয়ে যাচ্ছে। এই দুইয়ে মিলে লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কম, বড়জোর নিম্নচাপ বা গভীর নিম্নচাপ হতে পারে। একটু ধীরগতিতে অগ্রসর হয়ে নিম্নচাপ হিসেবে এটি ২৯ মে রাত বা ৩০ মে সকালে স্থলভাগ অতিক্রম করতে পারে।’আবহাওয়াবিদরা বলছেন, ‘বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপের সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর প্রভাব যুক্ত হয়ে আগামী তিন দিন (বৃহস্পতি থেকে শনিবার) বাংলাদেশে ব্যাপক বৃষ্টিপাত হতে পারে। মূলত খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেটে বৃষ্টি বেশি থাকতে পারে।’ওমর ফারুক বলেন, ‘আগামীকাল দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টি থাকতে পারে। তবে পরদিন বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি অনেকটাই বাড়তে পারে। কমবেশি বৃষ্টি হতে পারে প্রায় সারা দেশেই। তবে রংপুরে তুলনামূলক কিছুটা কম থাকতে পারে। আগামী ১ জুন থেকে বৃষ্টি অনেকটাই কমে যেতে পারে। সেই সঙ্গে তাপমাত্রাও বাড়তে পারে।’
আরো পড়ুন
কোরবানির বর্জ্য ও শহরের হকার নিয়ে উত্তর সিটির বিশেষ পরিকল্পনা
ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিতে দেশের কিছু অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার শঙ্কাও রয়েছে। এ বিষয়ে পাউবোর বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী সরদার উদয় রায়হান রাতে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘৩০ ও ৩১ মে চট্টগ্রাম ও সিলেট এবং রংপুরের কিছু অঞ্চলে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এতে এসব অঞ্চলে নন্দ-নদীর পানি বাড়তে পারে। ফলে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ফেনী জেলা, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা ও হবিগঞ্জ এবং উত্তরাঞ্চলের তিস্তা অববাহিকায় আকস্মিক ও স্বল্পমেয়াদি বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।’
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আহতদের চিকিৎসা, শহীদ পরিবারদের সঞ্চয়পত্র এবং আহতদের চেক বাবদ এখন পর্যন্ত সরকারের মোট ব্যয় হয়েছে ২৮৫ কোটি ১৮ লাখ টাকা। মঙ্গলবার (২৭ মে) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।
আরো পড়ুন
তথ্য কমিশনের সচিব হলেন রকিবুল বারী
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং এমআইএস থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে এখন পর্যন্ত ১৫ হাজার ৩৯৩ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। যার মধ্যে ৩৩৮ জন এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের মাধ্যমে ৪০ জন এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ১১ জন জুলাই যোদ্ধাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড এবং রাশিয়া পাঠানো হয়েছে। তাদের চিকিৎসা বাবদ সরকারের ৬১ কোটি ২ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। আরো ২৮ জন জুলাই যোদ্ধাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড এবং তুরস্কে পাঠানোর কার্যক্রম চলমান আছে।
আরো পড়ুন
বগুড়ায় নাশকতা মামলায় যুবলীগকর্মী গ্রেপ্তার
জাতীয় অর্থপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট হাসপাতালে যারা চিকিৎসাধীন আছেন তাদের যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, চীন , মালয়েশিয়া, নেপাল থেকে ২৬ জন বিশেষজ্ঞ এসে ইতোমধ্যে বিনামূল্যে চিকিৎসা দিয়ে গেছেন।
এসব চিকিৎসককে শুধুমাত্র যাতায়াত খরচ দেওয়া হয়েছে, যার জন্য সরকারের ব্যয় হয়েছে ৩৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এর বাইরে জুলাই অভ্যুত্থানে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে একটি আর্থিক অঙ্গীকার করা হয়েছিল। এখন পর্যন্ত ৮৩৪ জন শহীদ পরিবারের মধ্যে ৬৩০ জনের পরিবারকে ১০ লাখ টাকা করে ৬৩ কোটি টাকার সঞ্চয়পত্রের জন্য চেক দেওয়া হয়েছে। অবশিষ্টদের ওয়ারিশ নির্ধারণ সংক্রান্ত বিষয়টি নিষ্পত্তি সাপেক্ষে সঞ্চয়পত্র দেওয়া হবে।
আরো পড়ুন
হজযাত্রীকে না নেওয়ায় ২ বার উড্ডয়ন করেও ফিরতে বাধ্য হলো প্লেন
এছাড়া ক্যাটাগরি ‘এ’ আহত ৪৯৩ জনকে ২ লাখ টাকা করে ৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকার চেক, ‘বি’ ক্যাটাগরির আহতদের মধ্যে ৯০৮ জনকে ১ লাখ টাকা করে ৯ কোটি ৮ লাখ টাকার চেক এবং ‘সি’ ক্যাটাগরির আহত ১০ হাজার ৬৪২ জনকে ১ লাখ টাকা করে এককালীন মোট ১০৬ কোটি ৪২ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে।