ডেস্ক রিপোর্ট:
তদারকির অভাবে ঈদের পর থেকেই অস্থির হয়ে উঠেছে দেশের ভোজ্যতেলের বাজার। অভিযোগ উঠেছে, ৫ থেকে ৬টি কোম্পানির প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেট পরিকল্পিতভাবে সরবরাহ কমিয়ে দিয়ে নতুন করে দাম বাড়ানোর চক্রান্ত করছে।
রমজান মাসের শুরু থেকেই ডিলারদের মাধ্যমে খুচরা বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়। ফলে ঈদের পর বাজারে এক ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। অনেক মুদি দোকানে ২০ কার্টনের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ করা হচ্ছে মাত্র ২ থেকে ৪ কার্টন।
এ সুযোগে খোলা সয়াবিন তেলের দামও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে লিটারপ্রতি প্রায় ৩০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক ও দুই লিটারের বোতল তেল প্রায় নেই বললেই চলে। কোথাও কোথাও শুধু ৫ লিটারের বোতল সীমিত পরিমাণে পাওয়া যাচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে অনেকেই খোলা তেলের দিকে ঝুঁকছেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, কোম্পানিগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে সরবরাহ কমিয়ে দিয়েছে। আগে যেখানে পর্যাপ্ত তেল পাওয়া যেত, এখন তা হঠাৎ করে কমে গেছে। এতে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে এবং দাম বাড়ানোর পথ তৈরি হচ্ছে।
এদিকে ভোজ্যতেল সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর দাবি, পরিবহণ সংকট ও আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণেও সরবরাহ কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। তবে ভোক্তা অধিকার সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, এসব কারণকে সামনে রেখে সিন্ডিকেট বাজার নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিয়মিত তদারকি এবং কঠোর ব্যবস্থা না নিলে বাজারে এই অস্থিরতা আরও বাড়তে পারে।
অন্যদিকে বাণিজ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশে পর্যাপ্ত ভোজ্যতেল মজুত রয়েছে এবং অযথা আতঙ্কিত না হয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী পণ্য কেনার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।
সূত্র:
যুগান্তর
প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন ও প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন













