জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম ও হেডফোন ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জামায়াতের দলীয় সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। তিনি অভিযোগ করে বলেন, বড় আকারের হেডফোন ব্যবহার করতে গিয়ে সংসদ সদস্যদের কষ্ট হচ্ছে এবং এ ব্যবস্থার পেছনে অনিয়মেরও অভিযোগ রয়েছে।
রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদে অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনার সময় হেডফোন দেখিয়ে শাহজাহান চৌধুরী বলেন, এখন এটি এত বড় বোঝা মনে হয়। মাথার ওপর দিয়ে দীর্ঘ সময় এটি ব্যবহার করে বসে থাকা সবার জন্যই কষ্টকর হয়ে উঠেছে। তিনি দাবি করেন, একটি বাজেট করা হয়েছিল এবং সেই বাজেট থেকে কিছু লোক বিল করে অর্থ আত্মসাতের সুযোগ তৈরি করেছে বলেও অভিযোগ তোলেন।
তিনি আরও বলেন, এর আগে ১৯৯১ সালের সংসদে এবং পরে ২০০১ সালের চারদলীয় জোট সরকারের সময়ও সংসদে কাজ হয়েছে, তখন এত বড় হেডফোন ব্যবস্থার প্রয়োজন হয়নি। সংসদের সাউন্ড সিস্টেম উন্নত করা গেলে ছোট ও সাধারণ হেডফোন ব্যবহার করেই সংসদ সদস্যরা পরিষ্কারভাবে বক্তব্য শুনতে পারবেন।
এই সংসদ সদস্য বলেন, সংসদ কক্ষে সাউন্ড সিস্টেমটি আরও উন্নত করা প্রয়োজন। বড় ও ভারী হেডফোনের পরিবর্তে সহজ ব্যবহারযোগ্য হেডফোন দিলে সংসদ সদস্যদের জন্য তা সুবিধাজনক হবে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন বিরতির পর নবনির্বাচিত স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হলে সাউন্ড সিস্টেমে বিভ্রাট দেখা দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্পিকার কিছু সময় হ্যান্ডমাইক ব্যবহার করে অধিবেশন পরিচালনা করেন। পরে তিনি প্রায় ২০ মিনিটের জন্য অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করেন।
বিরতি শেষে অধিবেশন পুনরায় শুরু হলেও সংসদ কক্ষের সব মাইক্রোফোন স্বাভাবিক হয়নি। এ সময় একাধিক সংসদ সদস্য বিষয়টি স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এদিকে বৃহস্পতিবারই জামায়াতের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হেডফোনের মান নিয়ে অভিযোগ করেন। তিনি লিখেছেন, এই হেডফোনের মান এতটাই খারাপ যে ব্যবহার করতে গিয়ে কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা অনুভূত হয়েছে। সাউন্ডের মানও অত্যন্ত নিম্নমানের বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সুত্র: জাতীয় সংসদ
প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন ও প্রচারের জন্য যোগাযোগ করুন












