মঞ্চ প্রস্তুত, কাউন্টডাউনও শুরু হয়েছে। কিন্তু জুন-জুলাইতে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে বিপত্তি সৃষ্টি হয়েছে। এর মূল কারণ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিতে চান, যা ইউরোপজুড়ে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। এর প্রভাব বিশ্বকাপ আয়োজনেও পড়তে পারে এমন গুঞ্জন উঠেছে।
উত্তর আটলান্টিক দেশগুলোর সামরিক জোট ন্যাটো-তে ডেনমার্কও সদস্য। গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তায় বিঘ্ন ঘটলে ন্যাটোর ওপরও প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্কের সম্পর্ক মিত্র হলেও এই অঞ্চলে ট্রাম্পের আগ্রাসন কিছু দূরত্ব তৈরি করেছে।
ফ্রান্সের বামপন্থি আইনপ্রণেতা এরিক কোকুয়েরেল বলেছেন, “আমরা কি কল্পনা করতে পারি যে, এমন একটি দেশে বিশ্বকাপ খেলতে যাব, যারা প্রতিবেশিদের ওপর আধিপত্য দেখতে চায়? আন্তর্জাতিক আইনকে অগ্রাহ্য করে জাতিসংঘকে অচল করার হুমকি দিচ্ছে।” তিনি মনে করছেন, গ্রিনল্যান্ড নিয়ে এই উত্তেজনা ফ্রান্সকে বিশ্বকাপ বয়কটের সুযোগ করে দিয়েছে।
তবে ফ্রান্সের ক্রীড়ামন্ত্রী মারিনা ফেরারি এমন সম্ভাবনা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেছেন, “মন্ত্রণালয় এমন মেজর এবং বহুল প্রত্যাশিত ইভেন্ট বয়কট করার কোনো ইচ্ছা পোষণ করে না। বিশ্বকাপ ২০২৬ সকল ক্রীড়াপ্রেমীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।” তিনি আরও জানিয়েছেন, খেলা এবং রাজনীতি আলাদা রাখা হবে।
ফ্রান্স সর্বশেষ ২০১৮ সালে রাশিয়ায় বিশ্বকাপ জয়ী হয়েছিল। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপেও তারা ফাইনালে খেলে, যেখানে আর্জেন্টিনার কাছে পরাজয় ভোগ করে। আগামী আসর দিয়ে ইউরোপের আরেক দেশ স্কটল্যান্ড ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরছে। স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টির ওয়েস্টমিনিস্টার লিডার স্টিফেন ফ্লিন বলেছেন, “দুর্ভাবনা ছাড়া আমরা ১৯৯৮ সালের পর থেকে বিশ্বকাপ বয়কট করি নি।”
রয়টার্স
এপি নিউজ
আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংবাদ











