
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।
এর আগে বুধবার (১৪ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ১২ দলীয় জোট ও জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের নেতাদের পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে তারেক রহমান দুই জোটের নেতাদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মতবিনিময় করেন।
এ বিষয়ে বিএনপির মিডিয়া সেল জানিয়েছে, রাজনৈতিক সৌজন্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার অংশ হিসেবেই এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি কোনো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক আলোচনার বৈঠক নয়, বরং সৌজন্য সাক্ষাৎ।
প্রথমে ১২ দলীয় জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন তারেক রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন— ন্যাশনাল লেবার পার্টির লায়ন মো. ফারুক রহমান, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের গোলাম মহিউদ্দিন ইকরাম, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওলানা আবদুল করিম, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির শামসুদ্দিন পারভেজ, বাংলাদেশ এলডিপির এমএ বাসার, ইসলামিক পার্টির আবুল কাশেম, ইউনাইটেড লিবারেল পার্টির আমিনুল ইসলাম, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দলের (পিএনপি) ফিরোজ মুহাম্মদ লিটনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এরপর সেখানে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন— জাগপার সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, গণদলের এটিএম গোলাম মওলা চৌধুরী, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের ব্যারিস্টার নাসিম খান, বাংলাদেশ ন্যাপের এমএন শাওন সাদেকী, বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক পার্টির এসএম শাহাদাত, এনপিপির মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, ডেমোক্রেটিক লীগের খোকন চন্দ্র দাস এবং এনডিপির আব্দুল্লাহ আল হারুন সোহেলসহ অন্যান্য নেতারা।
রাজনৈতিক অঙ্গনে এসব বৈঠককে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।









